Uncategorized

।।হাতের নাগালে দেশীয় প্রযুক্তি সেবা।।

।।হাতের নাগালে দেশীয় প্রযুক্তি  সেবা।।

       ।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ।।                      ০২ জুন, ২০১৭ ইং ০৮:৪০ মিঃ

বিশ্বের অন্য সব উন্নত দেশের সঙ্গে সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের দিক দিয়ে বাংলাদেশও এগিয়ে চলছে। প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে প্রায় সবগুলো সেক্টরে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত সকল সেক্টরই এসেছে প্রযুক্তির আওতায়। জনগণের প্রয়োজনীয় সেবাকে আরো সহজ করতে বর্তমান সরকার চালু করেছে ই-সেবা প্রকল্প। ইতোমধ্যে জনগণ তার সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে। জন্ম নিবন্ধন থেকে শুরু করে পাসপোর্ট নবায়ন ফি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফি পর্যন্ত এখন এই সেবার আওতায়। হিসেবে ঘরে বসেই জনগণ এর সুবিধা পাচ্ছে। প্রযুক্তি সেবার বিস্তারিত নিয়ে লিখেছেন মাহবুব শরীফ
রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের নির্মিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সরকার এ খাতকে বিশেষ গুরুত্বারোপ করে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বব্যাপী প্রয়োগ ও ব্যবহারে কারিগরি সহায়তা নিশ্চিতকরণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুবিধাসমূহ প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছানো, অবকাঠামোগত নিরাপত্তা বিধান, রক্ষণাবেক্ষণ, বাস্তবায়ন, সম্প্রসারণ, মান নিয়ন্ত্রণ ও কম্পিউটার পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ই-সার্ভিস প্রদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৩১ জুলাই, ২০১৩ তারিখে ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর’ গঠন করে। এই অধিদপ্তর ই-সেবাকে জনগনের নাগালে পৌঁছে দিয়েছে। ইতোমধ্যে জনগণ এর সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে।

গর্ভবতী ও প্রসূতি মহিলাদের জন্য
মায়ের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উপর গর্ভস্থ সন্তানের স্বাস্থ্য নির্ভর করে। এ সময়ে অপর্যাপ্ত খাদ্য ও অপুষ্টি, মা ও শিশুর জন্য মারাত্মক হতে পারে। অপুষ্টিতে আক্রান্ত মায়েরা যে সন্তানের জন্ম দেয়, তাদের ওজন কম হয়, বুদ্ধির বিকাশ ব্যাহত হয় ও স্বাস্থ্য ভালো থাকে না। গর্ভাবস্থায় মা নিজের দেহ থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে গর্ভের শিশুকে যথাযথভাবে গড়ে তোলে। এ ক্ষেত্রে মায়ের দেহে যে ক্ষয় হয় তা পূরণ করা না হলে মায়ের স্বাস্থ্যহানী ঘটে। এ জন্য গর্ভাবস্থায় মাকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি পরিমাণ খাবার খেতে হবে। আমাদের দেশে বেশির ভাগ মেয়েরা কম বয়সে গর্ভধারণ করে এবং প্রায় সবাই অপুষ্টির শিকার হয়। এর ফলে অপুষ্ট সন্তান জন্মগ্রহণ করে বা কখনও কখনও মৃত সন্তানও প্রসব করে।

ইউনিয়ন পরিষদ
জনগনের খুব কাছাকাছি ই-সেবা পৌঁছে দিয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, সনদ প্রদান, অনলাইনে বিভিন্ন আবেদন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন, জমিজমা সংক্রান্ত সেবাসহ বিভিন্ন রকম ই-সেবা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে থাকে।

কৃষকের জন্য
সফটওয়্যারই বলে দেবে কৃষি জমিতে কোন সার কী পরিমাণে প্রয়োগ করতে হবে। এখন ওএফআর সফটওয়্যার ব্যবহার করে মাটির পুষ্টিমানের তথ্য, ফসলের পুষ্টি চাহিদা ও সারে পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ বিশ্লেষণ করে সার প্রয়োগের নির্দেশিকা পাবেন কৃষকরা। গত ৩০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী এই সফটওয়্যারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে জমির অবস্থান (জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন) ভূমি শ্রেণি ও ফসল নির্বাচন করে নির্বাচিত ফসলের জন্য সারের যাবতীয় তথ্য জানা যাবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটের দীর্ঘ পাঁচ বছরের গবেষণায় এই সফলতা এসেছে। কৃষকেরা সরাসরি ওয়েবসাইটের ঙঋজঝ সংযোগে গিয়ে স্থান ও ফসল নির্বাচন করে এই সেবা পেতে পারেন। এ ছাড়া ইউনিয়ন তথ্য সেবাকেন্দ্র, বেসরকারি টেলিকম সংস্থা ৭৬৭৬ নম্বরে ফোন করে অথবা গ্রামীণফোনের সিআইসি থেকেও এই সেবা পাওয়া যাবে। মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা যায়, সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে কৃষকের কাছে সার সুপারিশ সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পরীক্ষামূলকভাবে ৩০টি উপজেলায় এর কার্যক্রম চালু করা হয়। ওই সময় গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের সহযোগিতায় মোবাইল ফোন ও সিআইসি’র মাধ্যমে এই সেবা কৃষকের কাছে পৌঁঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
এ ছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ও কৃষি তথ্য সেবাকেন্দ্র তাদের সেবা বিতরণ প্রক্রিয়ায় এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে এ সেবা প্রদান শুরু করে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই কাজটির সাথে সম্পৃক্ত হয়। সবশেষে ইউনিয়ন তথ্য সেবাকেন্দ্র (ইউআইএসসি) এই সেবা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২০১১ সালে এই সেবা কার্যক্রম ২০০টি উপজেলায় সম্প্রসারণ করা হয়।
সফটওয়্যারটি ব্যবহারের উপকারিতা হিসেবে গবেষণার ফলাফলে উঠে এসেছে ফসলভেদে শতকরা ২০ থেকে ৩০ ভাগ ফলন বাড়বে, গাছের স্বাস্থ্য ভালো থাকে ফলে রোগ বালাই ও পোকার আক্রমণ কম হবে, উত্পাদন খরচ কমবে, মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। এ ছাড়া উত্পাদিত ফসলের মানও ভালো হয়।

ওয়ার্ড কার্যালয়ের জন্য
বিশ্ব যখন হাতের মুঠোয়, দেশ যখন ডিজিটাল তখনও একটি জাতীয়তা সনদ, একটি ওয়ারিশান সনদের জন্যে কত দৌড়ঝাঁপ। এখন আর ওয়ার্ড কার্যালয়ে এসবের প্রয়োজন হয় না। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে সনদের জন্যে আবেদন, সনদ তৈরি হলে জানানো এবং ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করাসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করছে। তবে সনদ নিতে কী কী লাগবে জানা ও আবেদন ফরম নেওয়ার জন্য প্রথমবার আসতে হবে। দ্বিতীয়বার আসতে হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ছবিসহ পূরণ করা আবেদন ফরম জমা দেওয়ার জন্য। এরপর আসতে হয় সনদ তৈরি হয়েছে কিনা দেখার জন্যে কিংবা নেওয়ার জন্যে। এ ক্ষেত্রে কাউন্সিলরের সই না হয়ে থাকলে আরও একবার আসতে হয়। তবে এই ই-সেবার কাজই হচ্ছে নাগরিকদের ওয়ার্ড কার্যালয়ে আসতে না হয়। যাতে সমস্ত বাসিন্দারা ঘরে বসে সব ধরনের সেবা পান। অন্যান্য কিছু প্রয়োজনের জন্য কার্যালয়ের সম্মুখীন হতে হলেও, যেকোনো ধরনের সনদের কাজ এই ই-সেবার মাধ্যমেই সম্পন্ন করা যাবে। অনলাইনে নির্ভুলভাবে ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আনুষঙ্গিক সরকারি ফি (যদি থাকে) জমা দিয়ে দেবে। সনদ তৈরি শেষে ইমেইল অথবা এসএমএস-এর মাধ্যমেই জানিয়ে দেবে।

সরকারি ই-সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস), শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়, রেলওয়ে মন্ত্রণালয় ,সড়ক বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, বিদ্যুত্ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জন প্রশাসন মন্ত্রণলয়সহ প্রায় সকল মন্ত্রণালয় ই-সেবা প্রদান করে থাকে।

Advertisements
Uncategorized

।।অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য মাই স্কুল

।।অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য মাই স্কুল অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ।।
০২ জুন, ২০১৭ ইং শুক্রবার ০৮:২০ মিঃ

       

          ।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ।।

সম্প্রতি মাই স্কুল নামের একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে মো. আল আমিন। আল আমিন কালিহাতী আরএস পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। ছোট বেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি দূর্বলতা ছিল তার। মোবাইলের বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করতে করতেই তার মাথায় আসে স্কুলের বিভিন্ন জটিল কাজগুলোকে সহজ করে একটি অ্যাপ তৈরির আইডিয়া। এর পর থেকে শুরু হয় নিয়োমিত টুকটাক গবেষণা। অবশেষে আল আমিন ডেভেলপ করে ফেললেন স্কুল সম্পর্কিত অ্যাপ ‘মাই স্কুল’। এটি একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যপ্লিকেশন যার মাধ্যমে একটি স্কুল বা যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের আভ্যন্তরীণ যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে। এই অ্যপ্লিকেশন ব্যবহার করার ফলে একটি স্কুল বা যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে হাতের মুঠোয় আনা সম্ভব হবে। এই অ্যপ্লিকেশন ব্যবহার করে ছাএ/ছাএী, শিক্ষক ও অবিভাবক একে অপরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে। এই অ্যপ্লিকেশন ব্যবহার করে খুব সহজেই ঘরে বসেই স্কুলের সমস্থ তথ্য জানা। ছাএ/ছাএীরা তাদের লেখাপড়া বিষয়ে যেকোনো ধরণের সমস্যার সমাধান করতে পারবে তারা নিজেরাই এই অ্যপ্লিকেশন ব্যবহার করে। এছাড়া সকল প্রকার যোগাযোগ তথ্য দেওয়া নেওয়াসহ একটি স্কুলের সকল প্রকার কার্যকলাপ পরিচালনা করা যাবে এই অ্যপ্লিকেশন দিয়ে।
যেসকল ডিভাইসে এই অ্যাপটি সমর্থন করে
অ্যান্ড্রয়েড চালিত যেকোনো ডিভাইসে এই অ্যাপটি সমর্থন করে। বিশেষ করে আমাদের অতি পরিচিত অ্যান্ড্রয়েড চালিত মোবাইলফোন, ট্যাবলেট, মিনিপিসি, ফ্যাবলেট, অ্যান্ড্রয়েড টিভি ও অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড সমর্থনকরে এ জাতীয় ডিভাইস বা যন্ত্র দিয়ে এই অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে।
যা আছে এই অ্যাপে
মাই স্কুল অ্যাপটিতে রয়েছে বিশেষ করে ৭টি বিভাগ বা ৭টি ফোরাম। ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য এই ৭টি ফোরাম আলোচনা করা হলো-
মাই স্কুল
মাই স্কুল নামক অ্যাপটির এই ফাংশনের মাধ্যমে জানা যাবে অনেক তথ্য। এই বিভাগএ প্রবেশ করার সাথে সাথে ছাএ/ছাএীরা বিদ্যালয়ের দেওয়া যেকোনো নোটিশ, সংবাদ, পরিক্ষার ফলাফলসহ স্কুলের ছবি দেখতে পারবে।
টিচার
টিচার নামক অ্যাপটির এই বিভাগে শুধুমাত্র শিক্ষক প্রবেশ করতে পারবে। শিক্ষকদের প্রবেশ করার জন্য একটি নির্ধারিত Password সেট করে দেওয়া আছে যেটি ব্যবহার করে শুধু শিক্ষকরাই এই বিভাগে প্রবেশ করতে পারবেন।
এই বিভাগে শিক্ষকরা প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট খুলবে। তারপর শিক্ষকরা নিজেদের মধ্যে নিজেরা যোগাযোগ করতে পারবে এবং শিক্ষকরা ছাএ/ছাএীদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে। এছাড়া শিক্ষকরা ছাএ/ছাএীদের একাডেমিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারবে এই বিভাগের মাধ্যমে।
স্টুডেন্ট
অ্যাপটিতে রয়েছে স্টুডেন্ট নামের একটি অপশন। যে অপশনের মাধ্যমে সকল ছাএ/ছাএীরা অ্যাপের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে। এখানে ছাএ/ছাএীরা একটি করে অ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলবে। এই বিভাগের মাধ্যোমে ছাএ/ছাএীরা নিজেরা নিজেদের সাথে সরাসরি কথাবলতে পারবে এছাড়াও নিজেদের ক্লাসমেটদের সাথে গ্রুপ আকারেও কথা বলতে, ম্যাসেজিং করতে পারবে। ছাএ/ছাএীরা নিজেরা নিজেদের সাথে এই বিভাগের মাধ্যমে সমস্যা শেয়ার করতে পারবে এবং নিজেরা সেসমস্যা সমাধান করতে পারবে। ছাএ/ছাএীরা এখানে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য জমা করে বা নোট আকারে রাখতে পারবে। যেকোনো ইংরেজি বাক্য বা শব্দ ছাএ/ছাএীরা এখান থেকে উচ্চারণ করিয়ে নিতে পারবে। ছাএ/ছাএী এবং শিক্ষক একসঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। ছাএ/ছাএীরা বিভিন্ন ধরনের আবেদন এবং স্কুল থেকে একান্তভাবে যদি কোনো তথ্য কোনো ক্লাসে দেওয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে সেটাও দেওয়া যাবে এই ‘স্টুডেন্ট’ বিভাগ ব্যবহার করে।
প্যারেন্টস
মাই স্কুল অ্যাপটিতে রয়েছে প্যারেন্টস নামের আর একটি অপশন। এটি শুধুমাত্র অবিভাবকদের জন্য। এখানে অবিভাবকরা একটি করে অ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলবে এবং অবিভাবকরা নিজেরা নিজেদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবে। অবিভাবকরা টিচারদের সাথে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণের মাধ্যমে তাদের ছেলে- মেয়েদের একাডেমিক খোঁজ নিতে পারবে। পাশাপাশি তারা তাদের ছেলে-মেয়েদের রেজাল্ট ও স্কুলের নোটিশ দেখতে পারবে ।
অ্যাবাউট স্কুল
অ্যাপটিতে আরও রয়েছে অ্যাবাউট স্কুল নামের একটি অপশন। এই অপশনের মাধ্যমে স্কুল সম্পর্কে সমস্ত তথ্য জানা যাবে। যেমন- বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাসাল, ছাত্র-ছাত্রীসংখ্যা, বিদ্যালয় সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়ম শৃঙ্খলা, বেতন কাঠামো ইত্যাদি সম্পর্কে জানা যাবে।
টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস
টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস নামের এই অপশনের মাধ্যমে অ্যাপটি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে। এই বিভাগটি মূলত অ্যাপটি ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা ও কপিরাইট সংক্রান্ত তথ্য দেয়া থাকবে ।
নিউ আপডেট
মাই স্কুল অ্যাপটির সর্বশেষ অপশন হলো নিউ আপডেট অপশন। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী অ্যপ্লিকেশনের নতুন যে আপডেট থাকবে সেটা সে ইনস্টল করে নিতে পারবে। ছাএ/ছাএী, শিক্ষক, অবিভাবক প্রত্যেকেই এখানে তথ্য দেওয়া নেওয়া করতে পারবে এবং প্রত্যেকেই প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। ছাএ/ছাএীরা তাদের লেখা-পড়া সংক্রান্ত সকল প্রকার সমস্যার সমাধান তারা নিজেরাই করতে পারে। ছাএ/ছাএীরা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য এখানে জমা করতে পারবে। একজন অবিভাবক তার ছেলে বা মেয়েকে নিয়ে যেকোনো ধরণের তথ্য স্কুলে দিতে পারবে এই অ্যপ্লিকেশন ব্যবহার করে। অ্যপ্লিকেশন ব্যবহার করার ফলে একটি স্কুল বা যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে হাতের মুঠোয় আনা যাবে এবং একটি স্কুলের সকল প্রকার কার্যকলাপ পরিচালনা করা যাবে এই অ্যপ্লিকেশন দিয়ে।

Uncategorized

।।গুগল সার্চে নতুন ফিচার যুক্ত।।

    ।।গুগল সার্চে নতুন ফিচার যুক্ত।।
০২ জুন, ২০১৭ ইং শুক্ররবা  ০৮:০০ মিঃ

         ।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ।।
ব্যবহারকারীরা গুগল সার্চে আরও সহজে যাতে তাদের প্রয়োজনীয় কনটেন্ট খুঁজে পায় সেজন্য সার্চ রেজাল্টে নতুন একটি ট্যাব যুক্ত করছে। ‘পার্সোনাল’ নামের এই ট্যাব সার্চ ফলাফলে জিমেইল বা ফটোস এর মতো ব্যাক্তিগত সূত্র থেকে কনটেন্ট প্রদর্শন করবে। দ্য ভার্জের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পার্সোনাল ট্যাব সার্চের জন্য লিংক দেখানোর পরিবর্তে বিদ্যমান ম্যাপস, সংবাদ বা ইমেজ এর মাধ্যমে কাজ করবে। এই ট্যাবটি ডিফল্ট ট্যাব হিসেবে ব্যবহারকারীকে দেখাবে না, ‘মোর’ অপশন ক্লিকের মাধ্যমে এই ট্যাবটি উপরে দেখাবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই ফিচারটি ব্যবহারকারীরা ওয়েব এবং মোবাইল দুটি প্ল্যাটফর্মেই ব্যবহার করতে পারবে। আর ফটো অনুসন্ধানের জন্য, ব্যবহারকারীরা অবিলম্বে একটি ছবির ফলাফল খুলতে পারবে বা গুগল ফটোস এ গভীর অনুসন্ধান করতে পারবে। তবে গুগল একসাথে সব ব্যবহারকারীদের জন্য এই ফিচার চালু হয়নি। পর্যায়ক্রমে সব জায়গায় এই ফিচার চালু করা হবে। সূত্র: গ্যাজেট ৩৬০

Uncategorized

।।ভারতে কারাগারে একত্রে রোজা রাখছে হিন্দু-মুসলমান।।

।।ভারতে কারাগারে একত্রে রোজা রাখছে    হিন্দু-মুসলমান।।                    ০২/০৬/২০১৭ শুক্রবার ০৮:০০ এ. এম.

।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ অনলাইন ডেস্ক ॥

—————————————————

ভারতের লখনৌয়ে জেলের মধ্যেই মুসলমান কয়েদিদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করার জন্য হিন্দু কয়েদিরাও নজির গড়লেন। মুসলিমদের সঙ্গে রোজা রাখতে শুরু করেছে বেশ কয়েকজন হিন্দু বন্দি। ভারতের মুজাফফরনগরের জেলে দেখা যাচ্ছে এমন বিরল দৃশ্য।

জেল সুপারিনটেন্ডেন্ট রাকেশ সিং জানিয়েছেন, ওই জেলে মোট এক হাজার ১৭৪ জন মুসলিম বন্দি রয়েছেন। আর হিন্দু বন্দির সংখ্যা ৩২। মুসলিম বন্দিদের সঙ্গে রমজান পালন করছেন হিন্দুরাও। জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা রোজা রাখছে তাদের জন্য দুধ ও ফলের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

১৩০ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে ১৪ ভাগই মুসলিম। তবে দেশটির মুসলিমরা নানা ধরনের নিপীড়নের শিকার হন। হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুসলিমবিদ্বেষ আরও বেড়েছে বলে অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেন।

Uncategorized

।।বাজেটে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বছরে দুটি উৎসব

।।বাজেটে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বছরে দুটি                উৎসব ভাতার প্রস্তাব।।
 ।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ অনলাইন ডেস্ক।।
০২ জুন, ২০১৭ ইং শুক্রবার ৭০:৫২ মিঃ

————————————————-

 মাসিক সম্মানী ভাতার পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এবারই প্রথম দুটি উৎসব ভাতার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব করেন।

মুহিত বলেন, ‘বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিদ্যমান মাথাপিছু সম্মানী ভাতার পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা হারে বছরে দুটি উৎসব ভাতা প্রদানের প্রস্তাব করছি।’

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ঐতিহ্য ও স্মৃতি সংরক্ষণ, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেয়া এবং মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও পরবর্তী প্রজন্মের কল্যাণে চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের উন্নত আবাসন সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে সারাদেশে ১০ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সঠিকভাবে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালে গণহত্যা-নির্যাতন, বধ্যভূমি, গণকবর চিহ্নিতকরণ, এ সংক্রান্ত তথ্যভাণ্ডার তৈরি, প্রদর্শনী এবং প্রকাশনার লক্ষ্যে গণহত্যা-নির্যাতন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী এবারের বাজেটে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য মোট ৩ হাজার ৯৮৬ কোটি ৩৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেন। এর মধ্যে অনুন্নয়ন খাতে ৩ হাজার ৫৬৬ কোটি ৩৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ৪২০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বরাদ্দ দিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন, গেজেট প্রকাশ ও ঘোষিত তালিকা হালনাগাদসহ সাময়িক সনদ প্রদান, যুদ্ধাহত, শহীদ, মৃত মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মানী ভাতা প্রদান, যুদ্ধাহত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে রেশন প্রদান, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের দেশে-বিদেশে চিকিৎসা বাবদ আর্থিক সহায়তা, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পাদন করা হবে। বাসস

Uncategorized

।।খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১৪ হাজার ৪০২ কোটি টাকার বরাদদের প্রস্তাব।। 

।।খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১৪ হাজার ৪০২ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব।।
।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগঅনলাইন ডেস্ক।।
০২ জুন, ২০১৭ ইং শুক্রবার ০৭:৪৭মি:

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য মোট ১৪ হাজার ৪০২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে উন্নয়ন খাতে ৪২৩ কোটি টাকা এবং অনুন্নয় খাতে ১৩ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে এই বরাদ্দ (সংশোধিত) ছিল ১১ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে মঞ্জুরী ও বরাদ্দের দাবিসমূহে বলা হয়েছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের এই ঘোষিত বাজেটে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। এ সব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইন্সটিটিউশনালাইজেশন অব ফুড সেফটি ইন বাংলাদেশ ফর সেফার ফুড প্রকল্প বাস্তবায়ন, সারা দেশে কৌশলগত স্থানে ১ লাখ ৫ হাজার মে. টন ধারণ ক্ষমতার ১৪৮টি নতুন খাদ্য গুদামও অবকাঠামো নির্মাণ বাস্তবায়ন, আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন, তুরস্কের সহায়তায় স্টিল সাইলো নির্মাণ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

নিরাপদ ও পুষ্টিমান সম্পন্ন পর্যাপ্ত খাদ্য নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, এই লক্ষ্য অর্জনে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা ২০২০ সালের মধ্যে ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীতকরণে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্পমূল্যে খোলা বাজারে খাদ্য শস্য বিক্রয় এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনীর আওতায় খাদ্যশস্য বরাদ্দের কর্মসূচি আমরা অব্যাহত রাখবো। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য শস্য সংগ্রহ ও ২৭ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য শস্য বিতরণ এবং খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে বছরের ৫ মাস স্বল্প আয়ের ৫০ লাখ পরিবারকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে খাদ্য সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মুহিত।বাসস

Uncategorized

।।যেসব পণ্যের দাম কমবে।।

       ।।যেসব পণ্যের দাম কমবে।।
।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগঅনলাইন ডেস্ক।।
০১ জুন, ২০১৭ ইং শুক্রবার ০৭:৪০ মি:

    
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বেশকিছু পণ্যে শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও সম্পূরক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করেছেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী বেশকিছু পণ্যের ক্ষেত্রে এসব প্রস্তাবনা দেন। এসব প্রস্তাব অনুমোদন পেলে যেসব পণ্যের দাম কমবে তা হলো :

কৃষি যন্ত্রপাতি : কৃষিকাজে আধুনিক পদ্ধতি অর্থাৎ যান্ত্রিক পদ্ধতির ব্যবহার পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। কম খরচে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা যায় সে লক্ষ্যে বিদ্যমান ১ শতাংশ আমদানি শুল্কের আওতায় আরো কিছু কৃষি উপকরণ যোগ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে কৃষি যন্ত্রপাতির মূল্য কমতে পারে।

দেশীয় মোবাইল, ল্যাপটপ, আইপ্যাড : আইসিটি খাত রূপকল্প-২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে মোবাইল, ল্যাপটপ, আইপ্যাডের স্থানীয় সংযোজন ও উৎপাদনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ খাতের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য উপকরণ আমদানিতে শুল্ক রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হবে।

দেশীয় ব্যাটারি : দেশে উৎপাদিত ব্যাটারি দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানিও হচ্ছে। ইতিমধ্যে তৈরি পণ্যের আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক এবং কাঁচামালে নিম্ন শুল্কহার রয়েছে। আগামী বাজেটে এই সেক্টরের কাঁচামাল জিংক ক্যালট, আর্সেনিক, এন্টিমনির শুল্কহার হ্রাসের প্রস্তাব করা হয়েছে।

দেশীয় মোটরসাইকেল ও হাইব্রিড গাড়ি : মোটরসাইকেলের স্থানীয় উৎপাদন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ খাতের জন্য শর্তসাপেক্ষে রেয়াতি সুবিধা প্রদান করে বিগত অর্থবছরে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। মোটরসাইকেল শিল্পে অগ্রসরমান দেশসমূহে অনুসৃত পদ্ধতি পর্যালোচনা করে ওই প্রজ্ঞাপনটিকে আরো যুগোপযোগী ও বিনিয়োগবান্ধব করে নতুনভাবে জারির প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে অতি দ্রুত মোটরসাইকেলের স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করি। একই সঙ্গে হাইব্রিড যানবাহন বৃদ্ধি করতে শুল্কহার পুনঃনির্ধারণ করা হচ্ছে।

সিরামিক : বর্তমানে দেশে সিরামিক শিল্পের ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে। বাজেটে এই শিল্পের প্রতিরক্ষণ সুবিধা অধিকতর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ট্যাল্ক, মাইকা, অ্যালুমিনা লাইনার ইত্যাদি কাঁচামালের শুল্ক আরো হ্রাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

চামড়াজাত শিল্প যন্ত্রপাতি : চামড়া দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি শিল্প এবং এক্ষেত্রে কাঁচামালের সিংহভাগ দেশেই উৎপন্ন হয়। এই খাতে ব্যবহৃত সব রাসায়নিক পণ্যকে অনেক আগে থেকেই শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে এই শিল্পের প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিদেশি ক্রেতাদের বিভিন্ন শর্ত অনুযায়ী নিরাপদ কারখানা স্থাপন করতে হচ্ছে। সে কারণে এই শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতির রেয়াতি সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

ক্যান্সার প্রতিরোধক ওষুধসহ অন্যান্য ওষুধ : বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশে বাংলাদেশের ঔষধ রপ্তানি হচ্ছে। প্রচুর সম্ভাবনাময় এই খাতকে আরো বিকাশিত করার জন্য এই শিল্পে ব্যবহৃত বেশ কিছু কাঁচামালে শুল্ক রেয়াত সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্যান্সার প্রতিরোধক ঔষধের কাঁচামালও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কৃষি, মৎস্য, পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতে পণ্য : কৃষিখাতের আরো উন্নতিতে বিভিন্ন ধরনের চারাগাছের পরিচর্যায় ব্যবহৃত মালচ (Mulch) এবং গ্রিন হাউস প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত শেডিং নেটের ওপর শুল্কহার হ্রাস করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে কৃষিপণ্যের বেশকিছু পণ্যের দাম কমতে পারে। একই সঙ্গে কৃষির অন্যতম উপখাত মৎস্য, পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পের খাদ্যসামগ্রী ও নানাবিধ উপকরণ আমদানিতে প্রয়োজনীয় আরো কতিপয় পণ্যে শুল্ক সুবিধা তথা প্রণোদনা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

Uncategorized

।।যেসব পণ্যের দাম বাড়বে।।

       ।।যেসব পণ্যের দাম বাড়বে।।
          ।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ
              অনলাইন ডেস্ক।।                           ০২ জুন, ২০১৭ ইং শুক্রবার ৭:৪০মি:

প্রস্তাবিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে বেশকিছু পণ্যের ওপর স্থানীয় পর্যায়ে ও আমদানিতে শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও রেগুলেটরি ডিউটি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে কিছু পণ্যের দাম বাড়বে। বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মহিত এ সংক্রান্ত বেশকিছু ঘোষণা দেন।

আমদানি পর্যায়ে আমদানি ও সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাবের ফলে যেসব পণ্য বা সেবার দাম বাড়তে পারে : অটোরিকশা, ইলেকট্রিক ব্যাটারিচালিত মোটর গাড়ি, সিসি ভেদে মোটর গাড়ি, চার দরজা বিশিষ্ট ডবল কেবিন পিকআপ, দুই ও চার স্ট্রোক বিশিষ্ট অটোরিকশা/থ্রি হুইলার ইঞ্জিন, সিলিং ফ্যান ও এর যন্ত্রাংশ, আমদানিকৃত রঙিন টেলিভিশন, সিম কার্ড, আমদানিকৃত সোলার প্যানেল, গুড়া দুধ, মাখন, শুকনা আঙ্গুর, যেকোনো ধরনের তাজা ফল, গোল মরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, জিরা, চকলেট, শিশুখাদ্য, পটেটো চিপস, সস, আইসক্রিম, লবণ, জ্বালানি তেল, পেইন্টস, বার্নিশ, প্রসাধনী, শেভিংয়ে ব্যবহারের সামগ্রী, শরীরের দুর্গন্ধ দূরীকরণে ব্যবহৃত সামগ্রী, টয়লেট সামগ্রী, রুম সুগন্ধি, সাবান, ডিটারজেন্ট, মশার কয়েল, এরোসল ও মশা মারার সামগ্রী, প্লাস্টিক পণ্য, প্লাস্টিকের দরজা, জানালা, ফ্রেম, মোটর গাড়ির টায়ার, বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ, ওভেন, ফ্রেবিক্স, কার্পেট, বিদেশি জুতা, ইমিটেশন জুয়েলারি, স্টেইলনেস স্টিলের সিঙ্ক, ওয়াস বেসিনের যন্ত্রাংশ, ওয়াটার ট্যাপ, বাথরুমের ফিটিংস ইত্যাদি।

স্থানীয় বা সরবরাহ পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক আরোপের ফলে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে : সব ধরনের বার্গার, স্যান্ডউইচ, চিকেন ফ্রাই, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, হট ডগ, পিৎজা, ফ্রুট ড্রিংক, পাস্তা, লাজারানো, মিনারেল ওয়াটার (৩ লিটার পর্যন্ত), কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক, সিগারেট, বিড়ি, জর্দা ও গুল, পেইন্টস, পাউডার, শ্যাম্পু, সুগন্ধযুক্ত বাথ সল্ট ও অন্যান্য সামগ্রী, সিরামিক দেয়াল টাইলস ও বাথটাব।

Uncategorized

।।বাজেট উন্নয়ন ও গণমুখী : ১৪ দল।।

।।বাজেট উন্নয়ন ও গণমুখী : ১৪ দল।।
        ।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ।।                     ———————————————–  ০২ জুন, ২০১৭ ইং শুক্রবার ০৭:১৫ মি:


জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০১৭-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে উন্নয়ন, গণমুখী ও জনবান্ধব হিসেবে আখ্যায়িত করে তাতে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল।

বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনের পর আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন হচ্ছে, এ বাজেটের মাধ্যমে সেই ধারবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। উন্নয়নের ধারবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য প্রস্তাবিত বাজেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এদিকে চলতি বছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে গণমুখী ও উন্নয়নমূলক হিসেবে উল্লেখ করে এবং অভিনন্দন-স্বাগত জানিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দল ও এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এ বাজেট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে আরো গতিশীল করবে।

তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমে ধন্যবাদ জানাই অর্থমন্ত্রীকে, যিনি এই বয়সেও দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা সংসদে বক্তব্য রেখে জাতিকে বিশাল অঙ্কের বাজেট উপহার দিয়েছেন। অত্যন্ত সফল ও দক্ষ অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় যেভাবে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশে পরিণত হয়েছে। সংসদে উত্থাপিত এ বাজেট বাংলাদেশের অর্থনীতিকে একটি সৃদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সহায়ক হবে।’

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের দিকে লক্ষ্য রেখে বাজেটে অনেক ক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হয়েছে, ব্যবসায়ীদেরও অনেক ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এই বাজেট বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে অর্থনীতির দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মোহাম্মদ নাসিম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের এই অগ্রযাত্রা বেগবান করতে অত্যন্ত জনবান্ধব এ বাজেট বাস্তবায়নে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে ১৪ দল।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দলের মুখপাত্র মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, এ বাজেট গণমুখী ও উন্নয়নমুলক। ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার ক্ষেত্রে একটি যুগোপযোগী উন্নয়নমূলক বাজেট দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক টিপু মুন্সি বলেন, ‘উন্নয়নের জন্য এটি একটি পজেটিভ বাজেট। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি জনবান্ধব বাজেট তৈরি করা হয়েছে। দেশের উন্নয়নের কথা ভেবে একটি সাহসী বাজেট দেয়া হয়েছে যার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট দিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। এ বাজেটে জনগণের কল্যাণ ও দেশের অগ্রগতি নিহিত রয়েছে। বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের কল্যাণ সাধিত হবে।’

সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া প্রস্তাবিত বাজেটকে ইতিবাচক আখ্যায়িত করে বলেন, গণমুখী এ বাজেট দেশকে শিল্পায়িত করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। স্বাধীন অর্থনীতি বিকাশের ক্ষেত্রে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে গণমুখী ও উন্নয়নমূলক বাজেট দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে রাজধানীতে মিছিল করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট, জিরোপয়েন্ট হয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় সেখানে আয়োজিত এক সমাবেশে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. শাহে আলম মুরাদ ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের এই বাজেটকে উন্নয়ন ও জনকল্যাণমুখী বাজেট হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এই বাজেট জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাবে।

শ্রমিক লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ বের করে আনন্দ মিছিল। শ্রমিক বান্ধব, শিক্ষা বান্ধব, উন্নয়নমুখী মেগা বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশে আনন্দ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ। বিকাল ৫টায় একযোগে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জেলা, মহানগর, উপজেলা, কলেজ, থানা ও পৌর শাখায় আনন্দ মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনন্দ মিছিলটি বিকাল ৫টায় শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাজু ভাস্কর্যে এসে সমাবেশ পরিণত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।

গণমুখী, উন্নয়নমুখী ও যুব বান্ধব বাজেট দেয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল করে যুবলীগ। যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে বের হওয়া আনন্দ মিছিলটি যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে থেকে শুরু হয়ে জিপিও-পল্টন মোড় হয়ে পুনরায় যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট।

প্রস্তাবিত বাজেটকে অভিনন্দন জানিয়ে তাঁতী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. শওকত আলী এবং সাধারণ সম্পাদক খগেন্দ্র দেবনাথের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মিছিলটি বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে জিরো পয়েন্ট হয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

Uncategorized

।।হেলিকপ্টার পৌঁছে দেবে ফোন।।

।।হেলিকপ্টার পৌঁছে দেবে ফোন।।
।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ অনলাইন ডেস্ক।।

২৮/০৫/২০১৭ রবিবার ০৮:৩৫ এ. এম.

বিলাসবহুল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভার্চু সম্প্রতি তাদের নতুন ফোন সিগনেচার কোবরা বাজারে এনেছে। ফোনটির দাম বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তবে এই ফোনটি যিনি কিনবেন তার বাসায় ফোনটি হেলিকপ্টারে পৌঁছে দেবে প্রতিষ্ঠান। গ্রাহকরা চাইলে কিস্তিতেও কিনতে পারবেন ফোনটি। কিস্তিতে কিনতে চাইলে প্রথমে তাদের ১২ হাজার ২০০ টাকা ডাউন পেমেন্ট করতে হবে। এরপর কিস্তিতে বাকি টাকা পরিশোধ করা যাবে। সারা বিশ্বে মাত্র আটটি জায়গায় ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে। ফোনটিতে রয়েছে ৪৩৯টি চুনি, দুটি পান্না। এছাড়া ফোনের গায়ে আছে কিছু মূল্যবান পাথর। তবে কোন মেশিন নয়, ফোনের খুঁটিনাটি ঠিক রাখতে হাত দিয়েই জোড়া হয়েছে এই ফোনের বিভিন্ন অংশ। -ইন্ডিয়া টুডে