Uncategorized

।।জাপানের অত্যাধুনিক জিপিএস স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ।।

।।জাপানের অত্যাধুনিক জিপিএস        স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ।                   দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ অনলাইন ডেস্ক
০৩ জুন, ২০১৭ ইং শনিবার ১২:০৭ মিঃ



বিশ্বের বিভিন্ন অবস্থান সনাক্ত প্রক্রিয়া আরো নির্ভুল করার লক্ষ্যে জাপান বৃহস্পতিবার একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অত্যাধুনিক এই স্যাটেলাইটটি যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত জিপিএস সিস্টেমকে আরো সম্পূর্ণ করে তুলবে।

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় তানেগাশিমা মহাকাশ কেন্দ্র থেকে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে ‘মিচিবিকি-২’ স্যাটেলাইট বহন করা এইচ-আইআইএ রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়। জাপানের অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন সংস্থা প্রদর্শিত ভিডিও ফুটেজে এ উৎক্ষেপণের দৃশ্য দেখানো হয়।

প্রাথমিকভাবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্যে তৈরি করা হলেও, স্যাটেলাইট জিওলোকেশন সিস্টেম এখন সাধারণ নাগরিকরাও ব্যবহার করছে। গাড়ির অবস্থান জানা থেকে শুরু করে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়েও এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ সার্ভিসের জন্য ২০১০ সালে কক্ষপথে প্রথম স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয়। আরো ব্যাপক পরিসরে এ সার্ভিস পেতে ২০১৮ সালের মার্চ মাস নাগাদ জাপান তাদের তৃতীয় ও চতুর্থ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করবে।

বৈশ্বিক অবস্থান সনাক্তে মিচিবিকি এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলে সক্রিয় থাকবে এবং যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমের (জিপিএস) সঙ্গে কাজ করবে। এএফপি।

Uncategorized

।।এবারের বাজেট আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ বাজেট ॥

।।এবারের বাজেট আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ বাজেট ॥ অর্থমন্ত্রী ॥ নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না।।

—————————————————–

        ।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ।।

     ০৩/০৬/২০১৭ ১১:৫৬ এ. এম.

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ জনকল্যাণে ধারাবাহিকভাবে উচ্চাভিলাষী বাজেট দেয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, এবারের বাজেট আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ বাজেট। বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের দক্ষতা অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে এখন অনেক ভাল দাবি করে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, গত আট বছরে বাজেটের আকার পাঁচগুণ বেড়েছে। ওই সময় বেড়েছে সরকারের আয়ও। তাহলে বাস্তবায়নের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে? তিনি বলেন, ১৫ শতাংশ ভ্যাট কার্যকর করা হলেও জিনিসপত্রের দাম বাড়বে না। কারণ, অনেক পণ্যে ভ্যাট ছাড় দেয়া হয়েছে। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ভ্যাট বাড়লে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি করবে না।

শুক্রবার বিকেল ৩ টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রস্তাবিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। আগামী অর্থবছরের বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুনে প্রশ্নের উত্তর দেন অর্থমন্ত্রী। মূলমঞ্চে অর্থমন্ত্রীর ঠিক ডান পাশে বসেছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। আর মুহিতের বাঁয়ে বসেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। মূল মঞ্চেই আরেকটি টেবিলে বসেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান, ইআরডি সচিব কাজী শফিকুল আজম এবং পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মোঃ জিয়াউল ইসলাম। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম ছাড়াও উর্ধতন সরকারী কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। প্রসঙ্গত, উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নেয়ার স্বপ্ন সামনে রেখে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে চালের দাম, নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর, মূল্যস্ফীতি, ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক, রেমিটেন্স, বিনিয়োগ ও বিদ্যুত পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর জানতে চান সাংবাদিকরা। চালের দাম বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, হাওর এলাকায় অকালবন্যার কারণে চালের দাম বেড়ে গেছে। তবে আমাদের স্টক যথেষ্ট ভাল, তাই চালের দাম আর বাড়বে না। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, এবার সাতটি জেলার হাওড় এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া আবহাওয়াজনিত কারণেও ধানের ফলন হয়নি। এসব কারণে সরকার ভিয়েতনাম থেকে চাল আমদানির চুক্তি করেছে। একই সঙ্গে ওএমএস কার্যক্রম চালু, ফেয়ার প্রাইসে ১০ কেজিতে চাল বিক্রিসহ সরকারী অন্যান্য কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আবার আউশ ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। আশা করছি, সরকারী এসব উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে চালের দাম আর বাড়বে না।

ব্যাংকে লাখ টাকার বেশি

রাখলেই আবগারি শুল্ক

সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন ও আলোচনা হয় ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক ইস্যুতে। তবে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ব্যাংকে যাদের এক লাখ টাকা রাখার সামর্থ্য আছে তারা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্পদশালী বলেই বাজেটে তাদের ওপর বাড়তি কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। তারা বাড়তি ভারটা বহন করতে পারবেন, সমস্যা হবে না। বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে মুহিত বলেন, ব্যাংকে লাখ টাকার বেশি থাকলে বাড়তি কর দিতে হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে, বছরের যে কোন সময় ব্যাংক হিসাবে এক লাখ টাকার বেশি লেনদেনের ওপর আবগারি শুল্ক বিদ্যমান ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০০ টাকা করা হয়েছে। নতুন বাজেটে আবগারি শুল্ক আরোপের সীমা ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ আগে বছরের যে কোন সময় ২০ হাজার টাকা লেনদেনে শুল্ক আরোপ করা হতো, এখন ১ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে শুল্ক আরোপ করা হবে না।

নতুন বাজেট প্রস্তাবে ২০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে বিদ্যমান ১৫০ টাকা আবগারি শুল্ক মওকুফ করা হয়েছে বলে এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ১ লাখ টাকার লেনদেনে এখন ১৫০ টাকা আবগারি শুল্ক আরোপ করা আছে। এখন সেটা আর দিতে হবে না।

অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, যাদের টাকা এক লাখের উপরে থাকবে কেবল তাদের ওপরই একটা কর ধার্য করেছি। বড় লোকের ক্ষেত্রে আমাদের করটা ছিল, কিন্তু যারা মিড লেভেলে ছিল তারা এর অন্তর্ভুক্ত ছিল না। একলাখ টাকার নিচে যারা আছেন তাদের ভার থেকে মুক্ত করাই যথেষ্ট।

নতুন বাজেটে ব্যাংক এ্যাকাউন্টে লেনদেন ১ লাখ টাকার উর্ধে হতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিদ্যমান ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৮০০ টাকা, ১০ লাখ টাকার উর্ধ হতে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে ২ হাজার ৫০০ টাকা, ১ কোটি টাকার উর্ধ হতে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ৭ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে ১২ হাজার টাকা এবং ৫ কোটি টাকার উর্ধে বিদ্যমান ১৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ২৫ হাজার টাকা আবগারি শুল্ক প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। তবে বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তৃতার পর ব্যাংক লেনদেনে আবগারি শুল্ক আরোপের ভিন্ন হার উল্লেখ করে এনবিআরের এক প্রজ্ঞাপন জারি করলে সংশয়ের সৃষ্টি হয়। সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, এক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেটে আবগারি শুল্ক আরোপের হার চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

কিছু লোক চাল-চিনির দাম বাড়াচ্ছে

বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, বাজারে চালের সঙ্কট নেই। তারপরও চাল ও চিনির দাম বাড়ানো হচ্ছে। কিছু লোক অতি উৎসাহী হয়ে এ কাজ করছে। শিল্পমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা রোজার মাসে মুনাফা ছাড় দেয়। আর বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা রোজার মাসকে মুনাফা লাভের মোক্ষম সময় ধরে নেয়। আমাদের দেশে ব্যবসায়ীদের দেশপ্রেমের অভাব আছে। এর জন্য আইন করতে হবে। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সঞ্চয়পত্রের সুদের বিষয়টি নিয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত

সঞ্চয়পত্রের সুদ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, শীঘ্রই সঞ্চয়পত্রের সুদ সংক্রান্ত একটি বৈঠক করা হবে। ওই বৈঠকে সুদের বিষয়টি রিভিউ হতে পারে।

বেসরকারী বিনিয়োগ বাড়ছে

গত কয়েক বছরে সরকারী বিনিয়োগের পাশাপাশি বেসরকারী খাতের বিনিয়োগ বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, বেসরকারী খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে না এটা ঠিক নয়। দেশের অর্থনীতির ৮০ শতাংশ বেসরকারী খাতে আর সেখানে সরকারের হাতে রয়েছে মাত্র ২০ ভাগ। তাই বেসরকারী বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার সব ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, মোট বাজেটের প্রায় ৫৪ শতাংশ ব্যয় হবে দারিদ্র্য বিমোচনে।

জ্বালানি তেলের দাম কমছে না

গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে আবার তেলের দাম সমন্বয় হচ্ছে না এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ঘোষণাই ছিল ২০১৮ সালের মধ্যে গ্যাসের দাম বাড়বে। আর এ মুহূর্তে তেলের দাম সমন্বয় করার কোন সিদ্ধান্ত আসছে না। এটা বিবেচনাধীন রয়েছে।

রেমিটেন্স কমেনি

অর্থমন্ত্রী জানান, রেমিটেন্স কমেনি। আগামী ছয় মাসের মধ্যে রেমিটেন্সের বিষয়টি ঠিক হয়ে যাবে।

রাজনীতির নামে শৃঙ্খলাভঙ্গের দিন শেষ

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, রাজনীতির নামে আইন-শৃঙ্খলাভঙ্গের দিন শেষ। জ্বালা-পোড়াও করে এদেশে আর কোন রাজনীতি হবে না। এই অপরাজনীতির দিন শেষ হওয়ায় দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে।

এশিয়ান টাইগার

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের জিডিপি গ্রোথ এক বিস্ময়। বাংলাদেশ হচ্ছে এশিয়ান টাইগার। বিদেশী গণমাধ্যমে বাংলাদেশের এ সাফল্য বড় করে প্রচার হয়। তিনি বলেন, ৭ দশমিক ৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি, আগামী বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, বিদেশীরা যেমন এদেশে বিনিয়োগ করতে আসছেন, আবার আমাদের এখান থেকে বিদেশেও বিনিয়োগ করা হচ্ছে। আফ্রিকা, ভিয়েতনামসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন বাংলাদেশী উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করছেন।

Uncategorized

।।পূর্বাচলের লেক থেকে বিপুল ভারি অস্ত্র, গোলাবারুদ।।

।।পূর্বাচলের লেক থেকে বিপুল ভারি অস্ত্র, গোলাবারুদ উদ্ধার।।

—————————————————

      ।। দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ রিপোর্ট।। 

        ০৩/০৬/২০১৭ ১২:০৬ এ. এম.

—————————————————    

মীর আব্দুল আলীম, রূপগঞ্জ থেকে ॥ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৬২ এসএমজি, পাঁচটি ৭.৬২ পিস্তল, দুইটি রকেটলঞ্চার, ৪৯ মর্টারশেল, দুইটি ওয়্যারলেস, ১৫২৭ পিস গুলি, ৬০ ম্যাগজিন, ৪৯ গ্রেনেড ও ৪৯ ডেটোনেটর উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। উপজেলার পূর্বাচল উপশহরের ৫নং সেক্টরের ভুইয়া বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন গুতিয়াবো এলাকার লেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও রূপগঞ্জ থানা পুলিশ শুক্রবার ভোর থেকে বেলা এগারোটা পর্যন্ত টানা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ওই সব অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে।

অভিযান শেষে বেলা এগারোটায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশের মহাপরিচালক (আইজিপি) শহিদুল হক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করতে একটি চক্র নাশকতার লক্ষ্যে এসব অস্ত্র গোলাবারুদ মজুদ রেখেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে চক্রটিকে আটকের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, অতিরিক্তি আইজিপি (প্রশাসন) মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ-১ রূপগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক), ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফোরকান শিকদার, সহকারী পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) আব্দুল্লা আল মাসুদ, র‌্যাব-১ এর সিবিসি-৩ কোম্পানি কমান্ডার আবু হানিফ, র‌্যাব-১১ এর এসপি বাবুল আক্তার, নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি মামুনুর রশিদ প্রমুখ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের বাগলা এলাকার মোসলেম উদ্দিনের ছেলে শরীফ মিয়ার বাড়িতে বড় ধরনের অবৈধ অস্ত্র রয়েছে বলে পুলিশের কাছে সংবাদ আসে। গত মঙ্গলবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় রূপগঞ্জ থানা পুলিশ শরীফ মিয়ার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে একটি এলএমজি রাইফেল উদ্ধার করে। অভিযান পরিচালনাকালে অস্ত্রবহনকারী শরীফ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এরপর পরের দিন বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ চাষাড়া এলাকা থেকে শরীফ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শরীফ মিয়ার স্বীকারোক্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)’র ওসি মাহমুদুল ইসলাম ও রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার পূর্বাচল উপশহরের ৫নং গুতিয়াবো আগারপাড়া এলাকার বালুচর থেকে প্রথমে দুটি এসএমজি চাইনিজ রাইফেল উদ্ধার করা হয়।

পরে দ্বিতীয় দফায় ভুইয়া বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন লেক থেকে পর্যায়ক্রমে ৬২টি এসএমজি, পাঁচটি ৭.৬২ পিস্তল, দুইটি রকেটলাঞ্চার, ৪৯টি মর্টারশেল, দুইটি ওয়ারলেস, ১৫২৭ পিস গুলি, ৬০টি ম্যাকজিন, ৪৯টি গ্রেনেড ও ৪৯টি ডেটোনেটর উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলের চারদিক অতিরিক্ত র‌্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। অভিযান পরিচালনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়।

এদিকে, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন পূর্বাচল উপশহরের আশপাশে বসবাসরত এলাকাবাসী। এ ধরনের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

সরজমিনে ঘুরে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বাচল উপ-শহর এলাকাটি এক সময় জনবহুল এলাকা ছিল। রাজধানীর অতি কাছের এ এলাকাটিতে হাজার হাজার মানুষের বসবাস ছিল। পূর্বাচল উপশহর গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক পুরো এলাকাটিকে অধিগ্রহণ করে নেয়। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করে দেয়া হয়। বর্তমানে পুরো পূর্বাচল উপশহরটি ফাঁকা ও নির্জন অবস্থায় রয়েছে। অপরাধীরা নিরাপদ স্থান হিসেবে পূর্বাচল উপশহরকে বেঁচে নিয়েছে। এখানে প্রায় সময়ই লাশ উদ্ধারসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকা- ঘটে থাকে। বিশেষ করে ৫নং সেক্টরের লেকটি একেবারেই নির্জন ও দুর্গম জায়গা। হয় তো নিরাপদ ভেবে অপরাধীরা এখানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ রেখেছে।

পূর্বাচল উপশহরের আদিবাসী গুতিয়াব এলাকার মাজহারুল ইসলাম জানান, এই এলাকা লোকজন না থাকায় নিরব পড়ে থাকে। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন দামী গাড়ি করে অচেনা লোকজন যাতায়াত করে থাকে। ফলে এই এলাকায় নিত্য নানা অপরাধ ঘটে থাকে।

স্থানীয়দের দাবি এই এলাকার দিন দুপুরে কালো গ্লাস ব্যবহারকারী দামী গাড়ির আনাগোনা থাকে। ফলে কে বা কারা এখানে নিত্য নানা অপরাধ কর্মকা- ঘটিয়ে যাচ্ছে। ফলে নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, লেকে আরও অস্ত্র থাকতে পারে। এ জন্য ক্যানেল লেকে সেচে অস্ত্র ও গোলাবারুদ থাকলে তা উদ্ধার করা হবে।

দুপুর দুইটার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)’র ওসি মাহমুদুল ইসলাম বলেন, এসবের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের অবশ্যই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং দেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়ন রক্ষা করা হবে।

Uncategorized

।।খুলনায় গুলিতে চরমপন্থি দলের সদস্য নিহত।।

।।খুলনায় গুলিতে চরমপন্থি দলের সদস্য নিহত।।
।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ রিপোর্ট।।
০৩ জুন, ২০১৭ ইং শনিবার ১১:৩৮ মিঃ

খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে শেখ ইকবাল সরোয়ার ওরফে ‘ইকবাল হুজুর’ (৪৮) নামে এক চরমপন্থি নিহত হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে নগরীর দৌলতপুরের মীনাক্ষী সিনেমা হলের সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহত ইকবাল হোসেন স্থানীয় আঞ্জুমান রোড এলাকার মৃত শেখ মনসুর আহমেদের ছেলে। তিনি একটি ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি করতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে চরমপন্থি দল নেতা হোজি শহীদ হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলেও সূত্র জানিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, চরমপন্থি দলের পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (টাইগার খোকন) সদস্য শেখ ইকবাল সরোয়ার ওরফে ‘ইকবাল হুজুর’ রাত ৮টার দিকে নগরীর দৌলতপুর মীনাক্ষী সিনেমা হলের সামনে আঞ্জুমান মসজিদ ও কবরখানা সংলগ্ন স্থানে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে সন্ত্রাসীরা এসে তাকে লক্ষ্য করে পর পর তিনটি গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলি তার বুকে, হাতে এবং পিঠে বিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইকবাল সরোয়ার নিহত হয়েছেন। তিনি চরমপন্থি দল পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (টাইগার খোকন) গ্রুপের একজন সদস্য। তবে হুজুরের ছদ্মবেশে থাকতেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

Uncategorized

।।বাজেট না পড়েই মন্তব্য করেছেন খালেদা জিয়া:

 ।।বাজেট না পড়েই মন্তব্য করেছেন      খালেদা জিয়া: ওবায়দুল কাদের।।

————————————————–
।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ অনলাইন ডেস্ক।। 


০৩ জুন, ২০১৭ ইং শনিবার ১১:২৮ মিঃ      ————————————————-আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাজেট না পড়েই তা নিয়ে মন্তব্য করেছেন।’

বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাকে অনুরোধ জানাবো, আগে ভালো করে বাজেট পড়ুন। তারপর মন্তব্য করুন।’

আজ শুক্রবার কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাজেট হাওয়া ভবনের খাই খাই বাজেট নয়। উন্নয়ন ও জনকল্যাণের জন্য এ বাজেট তৈরি হয়েছে। উন্নয়নমুখী ও জনকল্যাণমূলক এ বাজেট দেখে বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর দলের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।’

এবারের বাজেট নির্বাচনমুখী বাজেট নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনে আরো একটি বাজেটের পর নির্বাচন। তাই এ বাজেট নির্বাচনী বাজেট নয়। এবারের বাজেট হচ্ছে ব্যবসা, কৃষি, গরীব ও উন্নয়নবান্ধব। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অংকের বাজেট হচ্ছে এটি।

Uncategorized

।।বিএনপি হতে মানুষ নিরাপদ নয়।।

।।বিএনপি হতে মানুষ নিরাপদ নয়।।

————————————————
   ।।দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ রিপোর্ট।।
০৩ জুন, ২০১৭ ইং শনিবার১১:২৩ মিঃ

————————————————-

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘যারা গণতন্ত্র আর ধর্মের দোহায় দিয়ে মানুষকে হত্যা করেছে তারা মানুষ নয়। বিএনপি হতে মানুষ নিরাপদ নয় যারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করে তারা কি মুসলমান? খালেদা জিয়া বলেছিল বিশ্ব ব্যাংকের টাকা ছাড়া সরকার পদ্মা সেতু করতে পারবে না কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার তা করেছে।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার আমলে মংলা বন্দর মরে গিয়েছিল আজ সেটি সচল হয়েছে লাভ হয়েছে এ বন্দর থেকে ৭০ কোটি টাকা। যা বিএনপির আমলে লোকসানে ছিল ১১ কোটি টাকা। এখন বাংলাদেশের মানুষের মাথা পিছু আয় বেড়ে হয়েছে ১৬০২ মার্কিন ডলার। তাই শেখ হাসিনার নৌকা প্রতিকে ভোট দেয়ার আহ্বান আবারও সকলের।’

বেনাপোল স্থলবন্দরের আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাজাহান খান এসব কথা বলেন। তিনি এই সময় বলেন, ‘অটোমেশনে এই বেনাপোল বন্দর চালু করা হবে। বন্দরের কার্যক্রম চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।’

বন্দর কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) তপন কুমার চক্রবর্তী। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়, বেনাপোল পৌর সভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনার শওকাত হোসেন, ৪৯ বিজিবির ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে, কর্নেল আরিফুল হক, শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মনজু ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম প্রমুখ।

Uncategorized

।।পুরো বাজেটই হচ্ছে নিজেদের পকেট ভর্তি করার জন্য:ফখরুল।।

।।পুরো বাজেটই হচ্ছে নিজেদের পকেট    ভর্তি করার জন্য: ফখরুল।।

—————————————————

      দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ রিপোর্ট              ০৩ জুন, ২০১৭ ইং শনিবার১১:১৩ মিঃ

—————————————————

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাজেটের সমালোচনা করে বলেছেন, পুরো বাজেটটিই হচ্ছে নিজেদের পকেট ভর্তি করার জন্য। এরা জনগণের পকেট কেটে নিজেদের পকেট ভর্তি করবে। এই বাজেট সাধারণ মানুষের কোনো কল্যাণ তো করবেই না, উপরন্তু সাধারণ মানুষের জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। একটা বার্ডেন হয়ে দাঁড়াবে। সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়। এ কারণেই সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা চাপানো হয়েছে। বাজেটে সরকার যেভাবে মানুষের ওপর মাত্রাহীন করের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে তাতে মানুষের দুঃখ-কষ্টের কোনো সীমা থাকবে না।

তিনি বলেন, সরকারি দলের নেতাদের পকেট ভারী করতেই প্রস্তাবিত বাজেটে বড় প্রকল্পের নামে বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বর্তমান সরকারের কোনো জবাবদিহীতা ও দায়বদ্ধতা নেই বলে তারা যেমন ইচ্ছে তেমন করছে।

জিয়াউর রহমানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থা ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের উদ্যোগে শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুস্তক প্রদর্শনী-২০১৭ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মাসব্যাপী এই পুস্তক প্রদর্শনী চলবে।

ফখরুল বলেন, বাজেটে ৩০টি মেগা প্রজেক্ট নেয়া হয়েছে। এই মেগা প্রজেক্টগুলোতে মেগা কস্টিং হবে। সেই মেগা কস্টিংয়ে মেগা দুর্নীতি হবে। মেগা পকেট ভারী হবে। পুরো বাজেটটিই হচ্ছে আজ নিজেদের পকেট ভর্তি করার জন্য। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে জনগণের পকেট কাটবে, নিজেদের পকেট ভর্তি করবে, এই হচ্ছে অবস্থাটা। এটা হচ্ছে খুবই উচ্চস্তরের পকেট মারার মতো অবস্থা।

তিনি বলেন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতকে অবহেলা করে মেগা প্রজেক্টগুলোর জন্য বড় বাজেট দিয়ে মেগা দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করছে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, অনৈতিক সরকার নতুন একটি বাজেট সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। আজকের পত্রিকাগুলো দেখবেন সেখানে বিভিন্ন কার্টুন ছাপিয়ে বাজেটে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিশাল বাজেট জনগণের কোন কল্যাণ বয়ে আনবে না বরং এটি বিশাল একটি বোঝা।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের বাজেট দেয়ার অধিকার নেই। তাদের জনগণের কাছে কোনো জবাবদিহিতা নেই। সংসদে কোনো বিরোধী দল নেই। সংসদেও তাদের জবাবদিহিতা নেই। শিক্ষাখাতে দুরাবস্থার কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব আরো বলেন,শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতকে অবহেলা করে মেগা প্রজেক্টগুলোর জন্য বড় বাজেট দিয়ে মেগা দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করছে। আর স্বাস্থ্যখাতে নর্দমার মতো অবস্থা।

Uncategorized

।।করের চাপ মধ্যবিত্তের উপর: সিপিডি।।

।।করের চাপ মধ্যবিত্তের উপর: সিপিডি।।

      ।। দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ রিপোর্ট।।
০৩ জুন, ২০১৭ ইং শনিবার ১১:১০ মিঃ

————————————————-

ঢালাওভাবে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট বাস্তবায়ন হলে সাধারণের উপর এর চাপ বাড়বে বলে উল্লেখ করেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। আসছে বাজেটে যে ধরনের কর কাঠামো করা হয়েছে তাতে মধ্যবিত্তের উপর চাপ বাড়বে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এবারের বাজেটে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে। কিন্তু বেকারত্ব না কমলে প্রবৃদ্ধির সুফল পাওয়া যাবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আজ শুক্রবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিপিডি। সিপিডির পর্যালোচনা উপস্থাপন করেন সংস্থাটির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

এ সময় সিপিডির ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমসহ সংস্থার অন্য গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে আমরা একমত। কিন্তু এর আয় ও ব্যয়ের কাঠামোর মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। তিনি বলেন, শুধু প্রশাসনিক কাঠামো দিয়ে বাজেটে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বাজেট বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সহায়তা দরকার। জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। কিন্তু আমরা তা দেখছি না। এছাড়াও বাজেটে এডিপি বাস্তবায়নে সুর্নিদিষ্টি কোনো দিক নির্দেশনা নেই।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের সরকারি বিনিয়োগ বড় ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ উন্নীত করতে হবে। অর্থনীতির সঙ্গে বাজেটের আকারও বাড়াতে হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাজেটের আকার বাড়ানো জন্য যে সক্ষমতার প্রয়োজন তাতে ঘাটতি আছে বলে আমরা মনে করি।

Uncategorized

।।১৫ শতাংশ ভ্যাট হলেও জিনিসপত্রের দাম বাড়বেনা:অর্থমন্ত্রী।। 

।।১৫ শতাংশ ভ্যাট হলেও জিনিসপত্রের দাম বাড়বেনা: অর্থমন্ত্রী।।

————————————————–
      ।। দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ রিপোর্ট।।
০৩ জুন, ২০১৭ ইং শনিবার ১১:০০ মিঃ

—————————————————

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ১৫ শতাংশ ভ্যাট কার্যকর করা হলেও পণ্যের বাজারে তার কোনো প্রভাব পড়বে না। জিনিসপত্রের দাম বাড়বে না। কারণ অনেক পণ্যে ভ্যাট ছাড় দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পরিকল্পনামন্ত্রী আ.হ.ম মোস্তফা কামাল, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংক গর্ভনর ড. ফজলে কবির, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, অর্থসচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, ইআরডি সচিব মো. শফিকুল আজম, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটের সব জায়গাই উজ্জ্বল। বাজেটের কোথাও কোনো দুর্বলতা নেই। সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার পর্যালোচনা করা হবে। সঞ্চয়পত্রের সুদের হার প্রতি বছর একবার পর্যালোচনা করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকে সুদের হার ৭ শতাংশ, আর সঞ্চয়পত্রে সুদের হার ১১ শতাংশ। এটি অসম্ভব। এত পার্থক্য থাকা উচিত নয়।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আবগারি শুল্ক বাড়ানোর কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যাদের এক লাখ টাকার উপরে আছে তাদের উপর এই কর বসছে। আমি মনে করি এটা যৌক্তিক। কারণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যাদের লাখ টাকার উপরে আছে তারা এই কর দিতে সক্ষম। মূলত বড়লোক বা ধনীদের কাছ থেকে কর আদায়ের জন্য এই আবগারি শুল্ক দেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, নতুন বাজেটে বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় বেশি রাখা হয়েছে। পাইপ লাইনেও অনেক বেশি টাকা আছে। আমরা এই টাকার সদ্ব্যবহার করতে পারি না। সম্পূর্ণ টাকা ব্যবহার করতে পারছি না। এরপরেও বিদেশি সাহায্যের পরিমাণ বেশি রেখেছি। কারণ, এর মধ্যদিয়েই এই টাকা ব্যবহারের সক্ষমতা আমরা অর্জন করবো।

এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ভ্যাট বাড়লে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য হবে না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রেমিট্যান্স আগের তুলনায় কমেছে এটা সত্য। তবে বড় ধরনের কম এখানে দেখছি না। তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বাস রেমিট্যান্স কমেনি, তবে ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে মাধ্যমে বেশি রেমিট্যান্স আসছে। তাই ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়াতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য রেমিট্যান্সের ব্যাংক ফিতে ভর্তুকি দেবে সরকার। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের আয়ের অর্থ দেশে পাঠাতে বর্তমানে ব্যাংক ফি কাটা হয়। ওই খরচে ভর্তুকি দেয়া হবে।

Uncategorized

।।ভ্যাট ট্যাক্স থেকে ২ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।।

।।ভ্যাট ট্যাক্স থেকে ২ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
থাকছে বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ *উন্নয়নের চেয়ে বেশি বেড়েছে অনুন্নয়ন ব্যয় * বছর শেষে সংশোধনের ট্রেন্ড।।
—————————————————–          ।। দিঘলিয়া ওয়েব ব্লগ।।
   ।।মোড়ল মোঃইলিয়াস হুসাইন।।
—————————————————–
  ০২ জুন, ২০১৭ ইং শুক্রবার ০৪:৫০ মিঃ

      *উন্নয়নের মহাসড়কে যাত্রা অব্যাহত রাখার স্বপ্ন দেখিয়ে ঘোষণা করা হল আগামী অর্থবছরের বাজেট। ‘সময় এখন আমাদের’ এমন স্লোগানকে সামনে রেখে বিশাল ব্যয়ের প্রাক্কলন দেখানো হয়েছে প্রস্তাবিত এই বাজেটে। বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টায় জাতীয় সংসদে আকার বৃদ্ধির ধারাবাহিকতার বাজেট ঘোষণা দিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিভিন্ন খাতে ব্যয় বরাদ্দ বাড়ানোর কথা বলা হলেও কার্যত রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পরিকল্পনা তার। বড় ব্যয়ের বাজেট মনে হলেও অনুন্নয়ন খাতেই চলে যাবে ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা।
        উন্নয়ন বরাদ্দ চলতি বাজেটের তুলনায় বাড়লেও অর্থ সংস্থানের চ্যালেঞ্জ রয়ে যাওয়ায় তার বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় থাকছে। যদিও অর্থমন্ত্রী রাজস্ব আদায় জোরদার করতে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া ভ্যাট আইনের খড়গ সাধারণের ওপর পড়ছে। ব্যাপকভাবে ভ্যাটের আওতা বৃদ্ধি এবং ১৫ শতাংশে অটল থাকায় ভ্যাট খাত থেকে ৯১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। এই খাতে বিশেষ নজর দেওয়ায় সাম্প্রতিককালে ভ্যাট থেকেই আদায়ের পরিমাণ বাড়ছে। রাজস্ব আদায়ের অন্যান্য খাত যেমন আয়কর, শুল্কাদিসহ মোট ভ্যাট—ট্যাক্স বাবদ জনগণের কাছ থেকে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা আদায় করার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ভ্যাটের আওতা থেকে বাদ যায়নি ওষুধ খাতও। ১৬শ’ ৬৬ পণ্যে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। যা চাপে ফেলবে ভোক্তাদের। ভ্যাটের হার নিয়ে নানা বিতর্কের পর বিভিন্ন মহলের দাবির মুখে নির্বাচিত কিছু খাতে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে আইনটি কার্যকর হলে যেকোনো সময় আদেশ জারির মাধ্যমে এই অব্যাহতি প্রত্যাহার করার ক্ষমতা রাজস্ব বোর্ডের থাকছে। ভ্যাটের পাশাপাশি শুল্কহারেও কিছু হ্রাস-বৃদ্ধি করা হয়েছে। বসানো হয়েছে সম্পূরক শুল্ক। তবে দেশীয় কিছু উত্পাদনমুখী খাতে ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা বাড়িয়ে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বাড়ানো হয়েছে আবগারী শুল্ক। ব্যাংকের ছোট আমানতের ওপরও কর বাড়িয়ে জনগণের টাকায় ভাগ বসানো হয়েছে। এক লাখ টাকা কিংবা তার বেশি অর্থ থাকলেই বাড়তি আবগারী শুল্ক দিতে হবে। যা ব্যাংকে টাকা রাখতে গ্রাহকদের নিরুত্সাহিত করবে। কমবে সঞ্চয় প্রবণতা।
        অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, এক লাখ থেকে দশ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংকে থাকলে বছরে ৮শ’ টাকা কেটে নেওয়া হবে। এর বেশি পরিমাণ অর্থের জন্য বেশি হারে কর্তনযোগ্য হবে। বিমান ভ্রমণেও সার্কভুক্ত দেশ ছাড়া অন্য এশীয় দেশের জন্য বিদ্যমান এক হাজার টাকার বদলে দুই হাজার টাকা, অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে বিদ্যমান দেড় হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন যে, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এটি করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্রসারণমূলক কর পরিধি ও ভ্যাট আইন বাস্তবায়নে পণ্য মূল্য বৃদ্ধি পাবে — যা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতায় চাপ ফেলবে।
           জাতীয় নির্বাচন ইস্যুকেও অর্থমন্ত্রী তার বক্তৃতার শুরুতে এনেছেন। বলেছেন, ‘আগামী বছর জাতীয় নির্বাচন হওয়ায় বাজেটে নতুন কোনো দিকনির্দেশনার সুযোগ কম থাকবে’। সেক্ষেত্রে এই বাজেটেও তেমন দিকনির্দেশনা নেই বললেই চলে। বরং বিভিন্ন খাতে বিগত সময়ের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উঠে এসেছে বেশি। পদ্মা সেতু ছাড়া অন্য মেগা প্রকল্প নিয়ে সুস্পষ্ট কিছু ছিল না তার বাজেট বক্তৃতায়।
নানা খাতে করহার বাড়ানোর প্রক্ষেপণ করলেও অনুন্নয়ন ব্যয় মেটাতে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উত্স থেকে ঋণ নিতেই হবে। ঘাটতির ১ লাখ ১২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা পূরণ করতে হবে ঋণ ও অনুদান খাত থেকে। এরফলে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর চাপ পড়বে। ফল হবে বেসরকারি খাতে পুঁজির প্রবাহ হ্রাস পাওয়া। তাহলে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে যে পরিমাণ বিনিয়োগের দরকার হবে, তা স্বপ্নই রয়ে যাবে।
        আয়—ব্যয়ের প্রাক্কলনঃ
আগামী অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর বাবদ আদায়ের লক্ষ্য ২ লাখ ৫৬ হাজার ৮১২ কোটি টাকা। এরমধ্যে আয় ও কর্পোরেট কর বাবদ ৮৬ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা, আমদানি ও রফতানি শুল্কবাবদ ৩০ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক বাবদ ৩৮ হাজার ২১২ কোটি টাকা আদায় করা হবে আগামী বছর। রাজস্ব বহির্ভূত অন্যান্য করতো রয়েছেই। রাজস্ব আদায় বাড়াতে সব ধরনের রফতানি খাতে উেস কর হার দশমিক ৭০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রায় ৮শ’ কোটি টাকার মত বাড়তি আদায় সম্ভব হবে।
               উন্নয়ন বরাদ্দঃ
প্রস্তাবিত বাজেটটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ১৪ তম বাজেট। এই বাজেটে মোট উন্নয়ন ব্যয়ের পরিমাণ রাখা হয় ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা। নতুন বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ, জ্বালানি ও বিদ্যুত খাতে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া, কৃষিতে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ, স্বাস্থ্য ৬ দশমিক ১ শতাংশ, জনপ্রশাসন ৩ দশমিক ১ শতাংশ, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ২ দশমিক ৮ শতাংশ, অন্যান্য খাতে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়।
              অর্থায়নের উত্সঃ
         মোট বাজেটের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর থেকে ৬২ শতাংশ অর্থায়নের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এনবিআর বহির্ভূত খাত থেকে আসবে ২ দশমিক ১ শতাংশ এবং কর ব্যতিত প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ ঋণ পাওয়ার লক্ষ্য ১৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে প্রাপ্তির উত্স ধরা হয়েছে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ। বৈদেশিক অনুদানের পরিমাণ ১ দশমিক ৪ শতাংশ।
               সংশোধিত বাজেটঃ
         নতুন বাজেট পেশের সঙ্গে চলতি বছরের সংশোধিত বাজেটও উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। চলতি বছরের জন্য ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হলেও তা সংশোধন করে ৩ লাখ ১৭ হাজার ১৭৪ কোটি টাকায় কমিয়ে আনা হয়। এই বাজেটের সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়ায় ৯৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।